মালয়েশিয়ায় কাজ করতে যেতে ইচ্ছুক বাংলাদেশি কর্মীদের মেডিক্যাল পরীক্ষা শুরু হবে ৩১ অক্টোবর। এর আগে করা পরীক্ষা গ্রহণ করা হবে না এবং সেই পরীক্ষার ভিত্তিতে ইমিগ্রেশন ছাড়পত্রের প্রক্রিয়াও চলবে না। প্রবাসীকল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের বুধবারের নির্দেশনার বরাতে প্রথম আলো ও ঢাকা ট্রিবিউন এ তথ্য জানিয়েছে।
মন্ত্রণালয় বলেছে, পরীক্ষা হবে অনুমোদিত মেডিক্যাল সেন্টারে। অনুমোদিত কেন্দ্রগুলোর তালিকা শিগগির মন্ত্রণালয়ের ওয়েবসাইটে প্রকাশ করা হবে। কর্মীদের সেই ওয়েবসাইটে খোঁজ রাখতে বলা হয়েছে।
কিছু দালাল ও অসাধু এজেন্সি অনুমোদনহীন মেডিক্যাল পরীক্ষা করানোর প্রস্তাব দিয়ে কর্মীদের পাসপোর্ট ও টাকা নেওয়ার চেষ্টা করছে বলে মন্ত্রণালয়ের নজরে এসেছে। এমন প্রস্তাবে সাড়া না দিতে এবং অনুমোদন যাচাই না করে কারও হাতে টাকা বা পাসপোর্ট তুলে না দিতে কর্মীদের অনুরোধ করা হয়েছে।
মন্ত্রণালয়ের নির্দেশনা ও অনুমোদন ছাড়া কোনো মেডিক্যাল সেন্টার বা রিক্রুটিং এজেন্সি কর্মীদের পরীক্ষা করতে বা করাতে পারবে না। নির্দেশনা অমান্য করলে প্রচলিত আইন ও বিধি অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়ার কথা জানিয়েছে মন্ত্রণালয়। এর মধ্যে মেডিক্যাল সেন্টারের কার্যক্রম বন্ধ, রিক্রুটিং এজেন্সির বিদেশে কর্মী নিয়োগ কার্যক্রম স্থগিত এবং মন্ত্রণালয়ের অনুমোদন বাতিলের মতো ব্যবস্থা থাকতে পারে।
পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত বিএমইটির ছাড়পত্রের জন্য আবেদনকারী এজেন্সিগুলোকে সংশ্লিষ্ট কাগজপত্র অনুমোদিত মেডিক্যাল সেন্টারে জমা দিতে হবে। ঢাকা ট্রিবিউনের প্রতিবেদন অনুযায়ী, এসব কাগজপত্রের মধ্যে ভিসা উইথ রেফারেন্স বা ভিডিআরের নথিও রয়েছে।
অবৈধ বা অনুমোদনহীন পরীক্ষার তথ্য জানা থাকলে মন্ত্রণালয়কে জানাতে কর্মীদের অনুরোধ করা হয়েছে। অভিযোগের সঙ্গে ঘটনার তারিখ ও স্থান, সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানের নাম এবং প্রমাণ দিতে বলা হয়েছে। কর্মীদের স্বার্থ রক্ষায় অনিয়ম ঠেকাতে নজরদারি চালিয়ে যাওয়ার কথাও জানিয়েছে মন্ত্রণালয়।



