কর্ণফুলী টানেল প্রকল্পের বাস্তবায়নপ্রক্রিয়া এবং বর্তমান আর্থিক লোকসানের কারণ তদন্তের সিদ্ধান্ত নিয়েছে জাতীয় সংসদের পরিকল্পনা মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটি।
শনিবার জাতীয় সংসদ ভবনে কমিটির দ্বিতীয় বৈঠকে সর্বসম্মতিক্রমে এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। কমিটির সভাপতি ও প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক উপদেষ্টা জহির উদ্দিন স্বপনের সভাপতিত্বে বৈঠকটি হয়।
বৈঠকে টানেলের সম্ভাব্যতা সমীক্ষা, বাস্তবায়নপ্রক্রিয়া ও লোকসান নিয়ে আলোচনা হয়। পরবর্তী বৈঠকে বিষয়টি বিস্তারিত পর্যালোচনা এবং তদন্তে সংশ্লিষ্ট সবার সহযোগিতা নেওয়ার সিদ্ধান্ত হয়েছে বলে সংসদ সচিবালয়ের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়।
বৈঠকে পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়ের অধীন চলমান এক হাজার ১৫৩টি প্রকল্পের অগ্রগতিও পর্যালোচনা করা হয়। ২০২৫-২৬ অর্থবছরে ২৫৬টি প্রকল্পের মেয়াদ বাড়ার পেছনে ভূমি অধিগ্রহণের জটিলতা, আমদানিনির্ভরতা, প্রকল্প পরিচালক নিয়োগে সমস্যা, যথাযথ সম্ভাব্যতা যাচাই না করা, সময়মতো অর্থ ছাড় না হওয়া এবং আন্তমন্ত্রণালয় বিরোধের কথা উল্লেখ করা হয়।
দীর্ঘসূত্রতা কমাতে কার্যকর উদ্যোগ নেওয়ার সুপারিশ করেছে কমিটি। মন্ত্রণালয় জানায়, প্রকল্প পরিচালক নিয়োগে নতুন নীতিমালা প্রণয়নের কাজ চলছে।
কমিটিকে জানানো হয়, পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়ের ২২১টি শূন্য পদের বিপরীতে ৬৫ জন কর্মকর্তা-কর্মচারী নিয়োগের প্রক্রিয়া চূড়ান্ত পর্যায়ে রয়েছে। সুপরিকল্পিত কর্মভার নির্ধারণ করে অগ্রাধিকারভিত্তিতে নিয়োগ শেষ করার নির্দেশনা দেন কমিটির সভাপতি।
বৈঠকে পরিকল্পনা প্রতিমন্ত্রী জোনায়েদ সাকিসহ সংসদ সদস্য কাজী রফিকুল ইসলাম, মইনুল ইসলাম খান, মো. সাইফুল আলম এবং মো. রাশেদুল ইসলাম রাশেদ অংশ নেন। এ ছাড়া পরিকল্পনা কমিশনের সদস্য, সংশ্লিষ্ট বিভাগের সচিব ও সংসদ সচিবালয়ের কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।



