চলতি বছরের প্রথম আট মাসে (জানুয়ারি-আগস্ট) ইউরোপীয় ইউনিয়নে (ইইউ) বাংলাদেশের পোশাক রপ্তানি আগের বছরের একই সময়ের তুলনায় ১১.৬৭ শতাংশ কমেছে। ইউরোর হিসাবে রপ্তানির পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ১১.৯৩ বিলিয়ন ইউরো, যা গত বছর ছিল ১৩.৫০ বিলিয়ন ইউরো। অর্থাৎ প্রায় ১.৫৮ বিলিয়ন ইউরোর রপ্তানি কমেছে।

ইউরোপীয় ইউনিয়নের পরিসংখ্যান সংস্থা ইউরোস্ট্যাটের তথ্য অনুযায়ী, একই সময়ে ইইউর সার্বিক পোশাক আমদানি কমেছে ৩.৮৩ শতাংশ। এতে ইউরোপের বাজারে বাংলাদেশের পোশাকের হিস্যা কমে ১৯.৭৮ শতাংশে নেমেছে, যা আগে ছিল ২১.৫৪ শতাংশ।

রপ্তানির পরিমাণ (ভলিউম) কমেছে ৪.৫৮ শতাংশ। গড় ইউনিট দাম ৭.৪৩ শতাংশ কমে কেজিতে ১৩.৭৬ ইউরো হয়েছে, যেখানে ইইউর গড় দাম কেজিতে ১৯.৬৫ ইউরো। বাজার বিশেষজ্ঞদের ভাষ্য, কম দাম ও কম চালান—দুটি কারণেই রপ্তানি আয় কমেছে।

প্রতিযোগী দেশগুলোর মধ্যে চীনের পোশাক রপ্তানি বেড়েছে ২.৩৮ শতাংশ, ভিয়েতনামের বেড়েছে ৪.৪৬ শতাংশ। তবে তুরস্ক, ভারত, কম্বোডিয়া ও পাকিস্তানের রপ্তানিও কমেছে।

রপ্তানিকারকদের ভাষ্য, ইউরোপে চাহিদা দুর্বল হওয়া, প্রতিযোগিতা বেড়ে যাওয়া ও দেশে জ্বালানি সংকটের কারণে এই পতন ঘটেছে। মানসম্পন্ন ও উচ্চমুল্যের পোশাক, পণ্য বৈচিত্র্যকরণ এবং ইউরোপীয় নিয়মকানুন বিষয়ে সক্ষমতা বাড়ানোর ওপর জোর দিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা।