দুর্গাপূজা উপলক্ষে পূজামণ্ডপ পরিদর্শন ও সনাতন ধর্মাবলম্বীদের সঙ্গে শুভেচ্ছা বিনিময় করতে আগামী মঙ্গলবার (২০ অক্টোবর) চট্টগ্রাম যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। নগরীর রহমতগঞ্জের ঐতিহ্যবাহী জে এম সেন হল পূজামণ্ডপ পরিদর্শন করবেন তিনি।

শনিবার (১৭ অক্টোবর) প্রধানমন্ত্রীর আগমন উপলক্ষে ওই মণ্ডপ পরিদর্শন করেন চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন। পরে ৫০০ সনাতনী নারীর হাতে পূজার উপহারসামগ্রী তুলে দেন তিনি; এ সময় উপস্থিত ছিলেন চট্টগ্রাম-৯ আসনের সংসদ সদস্য মোহাম্মদ আবু সুফিয়ানও।

মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন বলেন, ধর্ম, বর্ণ ও সম্প্রদায় নির্বিশেষে সব মানুষ সমান মর্যাদা ও অধিকার নিয়ে বসবাস করবে—এমন বাংলাদেশ গড়ার অঙ্গীকার করেছেন প্রধানমন্ত্রী। ‘রেইনবো নেশন’ ধারণাটি বাস্তবায়নের মধ্য দিয়ে সম্প্রীতি, সহাবস্থান ও পারস্পরিক শ্রদ্ধার ভিত্তিতে বৈষম্যহীন বাংলাদেশ গড়াই এ সফরের লক্ষ্য।

তিনি বলেন, ‘চট্টগ্রাম সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির নগরী। ধর্মীয় পরিচয় যার যার, কিন্তু নগরী সবার।’ সব ধর্মের মানুষ যেন নিরাপদে ও নির্বিঘ্নে উৎসব উদযাপন করতে পারেন, তা নিশ্চিত করা হবে।

পূজা উদযাপনে সহায়তার হিসাব দিয়ে মেয়র জানান, চট্টগ্রাম মহানগরীর ১৬টি থানার অধীন ২৯৪টি পূজামণ্ডপে মোট ১৪ লাখ ৭০ হাজার টাকা অনুদান দেওয়া হয়েছে। এছাড়া জে এম সেন হল মণ্ডপে পাঁচ লাখ, জামালখানের কুসুমকুমারী পূজামণ্ডপে ১৫ লাখ এবং সিটি করপোরেশনের চারটি সেবক কলোনিতে হরিজন সম্প্রদায়ের জন্য দুই লাখ টাকা দেওয়া হয়েছে। সব মিলিয়ে আর্থিক অনুদানের পরিমাণ ৩৬ লাখ ৭০ হাজার টাকা।

নিরাপত্তা ও শৃঙ্খলা রক্ষায় চসিকের আঞ্চলিক নির্বাহী কর্মকর্তারা এবং ম্যাজিস্ট্রেটরা আন্দরকিল্লা, দেওয়ান বাজারসহ বিভিন্ন এলাকার মণ্ডপে মাঠে কাজ করছেন বলে জানান মেয়র। পরিচ্ছন্নতা বিভাগও দর্শনার্থীদের চলাচল যাতে বিঘ্নিত না হয়, তা দেখছে।