সেন্ট পিটার্সবার্গের আশপাশে বড় ধরনের ইউক্রেনীয় ড্রোন হামলার দাবি করেছে রাশিয়া। লেনিনগ্রাদ অঞ্চলের গভর্নর আলেক্সান্ডার দ্রোজডেনকো বলেছেন, হামলায় ১২৬টি ড্রোন ভূপাতিত করা হয়েছে এবং ড্রোন প্রতিরোধ অব্যাহত আছে।
রোববার (১৮ অক্টোবর) ভোরে এ হামলার ঘটনা ঘটে। গভর্নরের দাবি অনুযায়ী, ভূপাতিত ড্রোনের ধ্বংসাবশেষ বসতবাড়ি, গাড়ি ও বিদ্যুতের লাইনের ওপর পড়ে; এতে সাময়িক বিদ্যুৎ বিভ্রাট হয়। তবে হতাহতের কোনো খবর পাওয়া যায়নি।
সেন্ট পিটার্সবার্গের গভর্নর আলেক্সান্ডার বেগলভ জানান, হামলার জেরে শহরের অয়েল টার্মিনালে আগুন লাগে। চলতি বছরের জুনেও ওই স্থাপনায় ইউক্রেনের হামলা হয়েছিল। তিনি বলেন, নিরাপত্তার কারণে শহরের প্রধান বিমানবন্দর পুলকোভোর কার্যক্রম সীমিত রাখা হয়েছে। রাশিয়ার রাষ্ট্রীয় বার্তা সংস্থা তাসও বিমানবন্দরে ফ্লাইট ব্যাহত হওয়ার খবর দিয়েছে।
রাশিয়ার সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ভিকেটির দাবি, হামলার লক্ষ্য ছিল অঞ্চলটিতে থাকা তাদের একটি ডেটা সেন্টার; তবে সাইটটি স্বাভাবিকভাবে চলছে বলে জানানো হয়েছে।
সংবাদমাধ্যমে প্রকাশিত ভিডিওতে সেন্ট পিটার্সবার্গ বন্দর এলাকায় একাধিক বিস্ফোরণ ও আগুনের দৃশ্য দেখা যায়। প্রত্যক্ষদর্শীদের বরাত দিয়ে বলা হচ্ছে, হামলায় একটি তেল টার্মিনাল ও একটি ডেটা সেন্টার ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।
এদিকে ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি এ সপ্তাহে ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম ফাইন্যান্সিয়াল টাইমসকে বলেছেন, কিয়েভ রুশ শোধনাগারে হামলা আবার শুরু করবে। অন্যদিকে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প শুক্রবার নির্বাহী আদেশে মস্কোর জ্বালানি আয়ের ওপর নিষেধাজ্ঞা ও শুল্ক স্থগিত করেন। যুদ্ধ পঞ্চম বছরে গড়ালেও রাশিয়ার হামলা বাড়ার মধ্যেই এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়, যা ইউরোপ ও যুক্তরাষ্ট্রে সমালোচনার জন্ম দিয়েছে।



