ফ্রান্সজুড়ে বিক্ষোভ সহিংসতায় রূপ নেওয়ার পর তার জন্য অভিবাসনকে দায়ী করেছেন মার্কিন ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যানস।

শনিবার সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে দেওয়া পোস্টে ভ্যানস লেখেন, ‘বৈচিত্র্য ও সহানুভূতির নামে’ পশ্চিমা উদারপন্থীরা ফ্রান্সসহ নানা দেশে তৃতীয় বিশ্বের মানুষ এনেছেন, কিন্তু আত্তীকরণ ও সামঞ্জস্যের মূল প্রশ্নগুলো উপেক্ষা করেছেন। ফ্রান্স যেন আরও নিদর্শন পুড়ে যাওয়ার আগেই এই ‘পাগলামি’ থামায়, সেজন্য প্রার্থনা করেন তিনি।

পোস্টে ভ্যানস লিমোজ শহরের টাউন হল আগুনে জ্বলতে থাকার একটি ভিডিও শেয়ার করেন। ২০২৮ সালের প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে সম্ভাব্য প্রার্থী হিসেবে আলোচিত ভ্যানস আসন্ন মধ্যবর্তী নির্বাচনের সঙ্গেও বিষয়টি যুক্ত করে লেখেন, ডেমোক্র্যাটদের হাতে কংগ্রেস গেলে যুক্তরাষ্ট্রের সামনে এমন পরিস্থিতি অপেক্ষা করছে।

শনিবার ফ্রান্সজুড়ে জীবনযাত্রার ব্যয় বৃদ্ধির প্রতিবাদে বিক্ষোভ হয়। তা সহিংসতায় রূপ নিলে পুলিশের সঙ্গে সংঘর্ষ, ব্যাপক লুটপাট ও অগ্নিকাণ্ড ঘটে। ফ্রান্সের প্রধানমন্ত্রীর ভাষ্য অনুযায়ী, দেশজুড়ে ১ হাজার ২০০ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।

অভিবাসন নিয়ে কঠোর অবস্থানের জন্য পরিচিত ভ্যানস ২০২৫ সালের ফেব্রুয়ারিতে মিউনিখে দেওয়া এক বক্তৃতায়ও ইউরোপের অভিবাসননীতির সমালোচনা করেছিলেন।