বলিউড অভিনেতা ইমরান খান ভারত ছাড়ার নির্দেশকে চ্যালেঞ্জ করে বম্বে হাইকোর্টে রিট আবেদন করেছেন। শনিবার (১৭ অক্টোবর) দায়ের করা ওই আবেদনে তাঁর আইনজীবীরা নির্দেশটিকে একতরফা, কারণহীন ও অসাংবিধানিক বলে বর্ণনা করেছেন।

ফরেনার্স রিজিওনাল রেজিস্ট্রেশন অফিস (এফআরআরও) তাঁকে ২৮ অক্টোবরের মধ্যে ভারত ছাড়ার নির্দেশ দেয়। এর পর রিট দায়েরের দিনই সংস্থাটি তাঁকে একটি কারণ দর্শানোর নোটিশ পাঠায়—কেন তাঁর ওসিআই কার্ড বাতিল করা হবে না। আইনজীবীদের ভাষ্য, এই নোটিশই প্রশ্ন তোলে, আগের দেশ ছাড়ার নির্দেশ কতটা বিবেচনার ভিত্তিতে দেওয়া হয়েছিল।

৪৪ বছর বয়সী ইমরান খান যুক্তরাষ্ট্রে জন্মগ্রহণ করেন এবং দুই বছর বয়স থেকে ভারতে থাকেন। তাঁর ওভারসিজ সিটিজেন অব ইন্ডিয়া (ওসিআই) কার্ড রয়েছে। অভিনেতার যুক্তি, ওসিআই কার্ডধারীকে সাধারণ বিদেশি ধরে নেওয়া যায় না; কারণ না দেখিয়ে ও শুনানির সুযোগ না দিয়ে এমন নির্দেশ দেওয়া তাঁর মর্যাদার পরিপন্থী।

আবেদনে বলা হয়েছে, গত ১০ অক্টোবর মুম্বাইয়ের আগস্ট ক্রান্তি ময়দানের কাছে তিনি কেবল কৌতূহলবশত গিয়েছিলেন। সেখানে তখন কোনও বিক্ষোভ চলছিল না; পুলিশ এলাকা অবরুদ্ধ থাকার কথা জানালে তিনি ফিরে আসছিলেন। কিন্তু সাংবাদিকরা তাঁকে ঘিরে ধরলে এবং হট্টগোল তৈরি হলে পুলিশ তাঁকে আটক করে।

আইনজীবী জুলফিকার মেমন সংবাদমাধ্যমকে বলেছেন, নতুন নোটিশটি পর্যালোচনা করা হচ্ছে এবং আদালতে শুনানির সময় এর বিষয়বস্তু স্পষ্ট হবে। তিনি বলেন, কোন নোটিশ প্রযোজ্য—প্রথমটি না দ্বিতীয়টি—সেটি আদালতেই তুলে ধরা হবে।

মামলাটি বম্বে হাইকোর্টের প্রধান বিচারপতি মহেশচন্দ্র ত্রিপাঠির এজলাসে সোমবার শুনানির কথা রয়েছে। ইমরান খান চাইছেন, আবেদনের নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত তাঁর বিরুদ্ধে কোনও দমনমূলক পদক্ষেপ না নেওয়া হোক এবং তাঁকে জোর করে দেশ থেকে পাঠানো না হয়। ইমরান খান অভিনেতা আমির খানের ভাগনে।