গ্যাস সংকট কমাতে নতুন তিন থেকে চারটি ভাসমান স্টোরেজ ও রিগ্যাসিফিকেশন ইউনিট (এফএসআরইউ) চালুর পরিকল্পনা করেছে সরকার। এসব টার্মিনালে যুক্তরাষ্ট্র, চীন ও দক্ষিণ কোরিয়ার বেসরকারি বিনিয়োগকারীরা আগ্রহ দেখিয়েছেন বলে জানিয়েছেন অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী।
সোমবার (১৯ অক্টোবর) ঢাকায় বিদেশি বিনিয়োগকারীদের সংগঠন এফআইসিসিআইয়ের এক আলোচনা সভায় তিনি এ কথা বলেন। মন্ত্রী বলেন, সমুদ্র ও স্থল—দুই জায়গায় গ্যাস অনুসন্ধান জোরদার করা হচ্ছে। চুক্তির আওতায় অনুসন্ধানের পাশাপাশি বাপেক্সকে শক্তিশালী করে ১৫০টি কূপ খননের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে এবং প্রয়োজনীয় সরঞ্জাম কেনার অনুমোদন দেওয়া হয়েছে।
তিনি জানান, মাতারবাড়ীর পাশাপাশি খুলনার কাছে ২০ মিটার ড্রাফটের একটি নতুন স্থান চিহ্নিত করা হয়েছে। সেখানে বড় জাহাজ থেকে সরাসরি তেল ও এলএনজি খালাস করা যাবে।
সরকারি হিসাবে দেশে প্রতিদিন গ্যাসের চাহিদা প্রায় ৩৮০ কোটি ঘনফুট, আর স্থানীয় উৎপাদন ও আমদানি মিলিয়ে সরবরাহ মেলে প্রায় ২৭০ কোটি ঘনফুট। মহেশখালীর দুটি ভাসমান টার্মিনাল মিলে দিনে প্রায় ১১০ কোটি ঘনফুট গ্যাস সরবরাহ করতে পারে।
নতুন পরিকল্পনার ঘোষণা এল এর আগে ১৪ অক্টোবর কুতুবজোমে চীনা প্রতিষ্ঠান সিএনইই-এর একটি অফশোর এলএনজি টার্মিনাল নির্মাণের প্রস্তাব ফিরিয়ে দেওয়ার পর। প্রস্তাবিত খরচ নিয়ে সমালোচনার মুখে সরকারি ক্রয়সংক্রান্ত কমিটির সভায় সিদ্ধান্তটি নেওয়া হয়; ওই সভায় সভাপতিত্ব করেন অর্থমন্ত্রী।



