কিশোর গ্যাং, ছিনতাই ও মাদকের মতো অপরাধ প্রতিরোধে দেশের প্রতিটি উপজেলায় কমিটি গঠনের সিদ্ধান্ত নিয়েছে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়। কমিটির সভাপতি হবেন সংশ্লিষ্ট উপজেলার নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) এবং সদস্য-সচিব হবেন থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি)।
সোমবার (১৯ অক্টোবর) স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের জনসংযোগ কর্মকর্তা ফয়সল হাসান এ সিদ্ধান্তের কথা জানান। মন্ত্রণালয়ের ভাষ্য অনুযায়ী, স্থানীয় প্রশাসন, পুলিশ ও সমাজের প্রতিনিধিদের সমন্বয়ে এসব কমিটি কাজ করবে।
এ বিষয়ে পুলিশের মহাপরিদর্শক (আইজিপি) মো. আলী হোসেন ফকির বলেছেন, কিশোর গ্যাং দমনে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে ইতিমধ্যে সিদ্ধান্ত হয়েছে। সোমবার রাতে নারায়ণগঞ্জ শহরের মিশনপাড়ায় রামকৃষ্ণ মিশন আশ্রমের পূজামণ্ডপ পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এ কথা বলেন।
আইজিপি জানান, প্রতিটি থানার ওসি কমিটির সদস্য-সচিব এবং ইউএনও আহ্বায়ক হবেন। তিনি বলেন, আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় নাগরিকদেরও এগিয়ে আসতে হবে এবং নিজেদের এলাকার অপরাধীদের বিষয়ে পুলিশকে তথ্য দিতে হবে।
পুলিশের একটি উচ্চপর্যায়ের কমিটি সম্প্রতি কিশোর গ্যাংয়ের পাশাপাশি সংঘবদ্ধ অপরাধ, সহিংসতা ও ডিজিটাল প্রতারণাকে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির বড় চ্যালেঞ্জ হিসেবে চিহ্নিত করেছে। এর আগে থেকেই দেশের বিভিন্ন এলাকায় কিশোর গ্যাংবিরোধী অভিযান চলছে।
আইজিপি আরও বলেন, মাদকের কারণে তরুণদের একটি অংশ অপরাধে জড়িয়ে পড়ছে। অভিভাবকদের সন্তানদের চলাফেরা ও সঙ্গীদের বিষয়ে খোঁজ রাখার আহ্বান জানান তিনি। দুর্গাপূজার নিরাপত্তা নিয়ে তিনি বলেন, দেশে কোনো হুমকি নেই, তবে কিছু চক্র পরিস্থিতি তৈরি করার চেষ্টা করছে।



