হাম ও হামের মতো উপসর্গে আক্রান্ত হয়ে দেশে এ বছর মৃতের সংখ্যা ১ হাজার ২০১ জনে দাঁড়িয়েছে। স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের (ডিজিএইচএস) দৈনিক হালনাগাদ তথ্য অনুযায়ী, এর মধ্যে ১০৪ জনের ক্ষেত্রে পরীক্ষায় হাম শনাক্ত হয়েছে। বাকি ১ হাজার ৯৭ জনের মৃত্যু হয়েছে হামের মতো উপসর্গে।

১৯ অক্টোবর সকাল ৮টা পর্যন্ত ২৪ ঘণ্টায় নতুন করে পাঁচ শিশুর মৃত্যু হয়েছে। একই সময়ে সন্দেহভাজন রোগী শনাক্ত হয়েছে ১ হাজার ৩০৭ জন। এ নিয়ে দেশে মোট সন্দেহভাজন রোগীর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ২ লাখ ১৪ হাজার ৫৫১ জনে। নতুন করে ৩৫ জনের হাম শনাক্ত হওয়ায় মোট নিশ্চিত রোগীর সংখ্যা হয়েছে ২৩ হাজার ১৫৭ জন।

গত ১৫ মার্চ থেকে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন ১ লাখ ৯০ হাজার ৬৬৩ জন সন্দেহভাজন রোগী। তাঁদের মধ্যে ১ লাখ ৮৩ হাজার ৪২ জন চিকিৎসা নিয়ে সুস্থ হয়ে ফিরেছেন।

স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞদের ভাষ্য অনুযায়ী, টিকাদানের আওতার বাইরে থাকা শিশু এবং দেরিতে চিকিৎসার কাছে আসার কারণে সংক্রমণ ও মৃত্যু কমছে না। গত এপ্রিল ও মে মাসে জরুরি হাম-রুবেলা টিকাদান কর্মসূচি এবং জুলাইয়ে মপ-আপ কর্মসূচি চালানোর পরও হাসপাতালে ভর্তি ও মৃত্যুর ধারা অব্যাহত আছে।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তর প্রতিদিন সকাল ৮টা পর্যন্ত সর্বশেষ তথ্য প্রকাশ করছে। সংস্থার হিসাবে, এ বছরের এখন পর্যন্ত শনাক্ত রোগীদের বড় অংশ টিকা নেননি।